হাইব্রিড নারিকেল গাছের প্রধান গুণাগুণ হলো এর দ্রুত ফলন এবং উচ্চ ফলনশীলতা, যা দেশীয় জাতের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। এই গাছগুলো তুলনামূলকভাবে খাটো হওয়ায় ফল সংগ্রহ করাও সহজ।
দ্রুত ফলন এবং বৃদ্ধি
কম সময়ে ফল ধরা: দেশীয় জাতের নারিকেল গাছে ফল আসতে সাধারণত ৭ থেকে ৮ বছর সময় লাগে, সেখানে হাইব্রিড জাতের গাছে মাত্র ৩ থেকে ৫ বছরের মধ্যেই ফলন শুরু হয়। কিছু জাত তো রোপণের দুই থেকে আড়াই বছরের মধ্যেই ফল দেয়।
দ্রুত বৃদ্ধি: এই গাছগুলো সাধারণ জাতের তুলনায় দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
উচ্চ ফলনশীলতা
ফলন তিন থেকে পাঁচ গুণ বেশি: হাইব্রিড নারিকেল গাছ সনাতনী বা দেশি জাতের গাছের তুলনায় প্রায় তিন থেকে পাঁচ গুণ বেশি ফল দেয়।
বার্ষিক ফলন: উপযুক্ত পরিচর্যা পেলে একটি হাইব্রিড গাছ বছরে প্রায় ১৫০ থেকে ৩৫০টি নারিকেল দিতে পারে।
শারীরিক বৈশিষ্ট্য এবং সুবিধা
খাটো আকৃতি: বেশিরভাগ জনপ্রিয় হাইব্রিড জাত (যেমন ভিয়েতনামী খাটো জাত) আকারে ছোট হয়, ফলে গাছের নিচে দাঁড়িয়েই বা ছোটখাটো খুঁটি ব্যবহার করে সহজেই ফল সংগ্রহ করা যায়।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: হাইব্রিড জাতগুলো সাধারণত পরিবেশগত চাপ, যেমন খরা এবং রোগবালাইয়ের প্রতি বেশি প্রতিরোধী হয়।
ফলের গুণাগুণ
মিষ্টি পানি: সিয়াম গ্রীন কোকোনাট-এর মতো কিছু জাতের ডাবের পানি খুব মিষ্টি হয় এবং বিদেশে রপ্তানির জন্য জনপ্রিয়।
কোপরা এবং তেলের পরিমাণ: হাইব্রিড জাতগুলোতে মূল প্রজাতির তুলনায় বেশি পরিমাণে এবং উন্নত মানের কোপরা (শুকনো নারিকেলের শাঁস) ও তেল পাওয়া যায়।
হাইব্রিড নারকেল গাছ
1,600.00৳
+ Free Shippingআসসালামুয়ালাইকুম সম্মানিত ভিউয়ার্স, আমাদের কাছ থেকে সকল প্রকার বিদেশি জাতের নাম্বার ওয়ান কোয়ালিটিফুল গাছগুলো সংগ্রহ করতে পারবেন, করতে প্রোডাক্ট দেখে অর্ডার নাও বাটনে ক্লিক করুন, অথবা বিস্তারিত জানতে সরাসরি আমাদের নাম্বারে কল করুন: ☎01788424555















Reviews
There are no reviews yet.